লোড হচ্ছে...
জিন, জাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসাসহ যাবতীয় প্যারানরমাল সমস্যার শরিয়াহসম্মত চিকিৎসা মাধ্যম রুকইয়াহ। অর্থাৎ কোরআনের আয়াত ও শরঈ দোয়ার মাধ্যমে রোগীকে ঝারফোঁক করা; যা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম নিজে করেছেন, সাহাবি ও সালাফগণও চলেছেন এই পন্থায়।
রুকইয়াহ গায়বি বিষয়ে সংবাদ দেয়া, বশ করা, ২৪ ঘন্টায় ফলাফল দেয়া, এক চুটকিতে সমাধান করার কোন পন্থা না। প্রচলিত কবিরাজি, তুলা রাশি, জিন হুজুর, জিন হাজিরা, গণকের মতো হাত দেখা বা মন্ত্রের সাথে কোরআন মিশিয়ে ধোঁকা দেয়ার মতো হারাম ও শিরকি পন্থাও রুকইয়াহ না।
সমাজের অধিকাংশ কবিরাজ শিরক বা হারামে লিপ্ত। কিছু মানুষ না বুঝে বই থেকে নিয়ে লিখে দেয়, আবার কেউ জিনের মাধ্যমে কাজ করে। দুনিয়ায় সামান্য সুস্থতার জন্য নিজের ঈমান হারানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নবী কারীম (স) বলেন: “যে ব্যাক্তি কোন জ্যোতিষীর নিকট গেলো এবং কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করলো তবে ৪০ রাত পর্যন্ত তার নামাজ কবুল হবেনা।” (সহিহ মুসলিম)
অন্য হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি জ্যোতিষি বা যাদুকরের কথায় বিশ্বাস করলো, সে মুহাম্মদ (স) এর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তার সাথে কুফুরি করলো।” (তারগীব ৪/৫৩)
আমাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত প্যারানরমাল লক্ষণসমূহ দেখে ডায়গনোসিস করতে পারেন। ফ্রি সিমটম ডায়গনোসিসের মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আপনার সমস্যাটি প্যারানরমাল কিনা।
প্রয়োজনে অভিজ্ঞ রাকির সাথে অনলাইন বা অফলাইনে কনসাল্টেন্সি করতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
কোরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর নিকট খাস দিলে দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়াহ করা হয়। আয়াত ও দোয়ার প্রভাবে শরীরে লুকিয়ে থাকা সমস্যা প্রকাশ পায় এবং বিভিন্ন সিমটম দেখা যায়।
সমস্যা বিশেষ আমল দেয়া হয় যা সাধারণত সেল্ফ রুকইয়াহ নামে পরিচিত।
নির্দিষ্ট আয়াত, দোয়া, আমল, গোসল ও নববি চিকিৎসা সামগ্রী ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়। আল্লাহ তায়ালার রহমতে সমস্যা দূর হয় এবং অদৃশ্য শক্তি প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।
যুগ যুগ ধরে লাখো মানুষ শরিয়াহসম্মত চিকিৎসা রুকইয়াহর মাধ্যমে সুস্থ হচ্ছেন। আলহামদুলিল্লাহ।